About BAN
Innovation, academic excellence, and student success.
History
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার মধ্য দিয়ে বাংলাকে সমৃদ্ধ করার প্রত্যয় নিয়েই শুরু হয় বাংলা বিভাগের যাত্রা। বর্তমানে বাংলা বিভাগ শিক্ষার্থীদের জন্য অনার্স লেভেলে বিএ (সম্মান) এমএ, পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করছে। বিএ (সম্মান) পর্যায়ে মোট ক্রেডিট সংখ্যা ১৫০ এবং এমএ পর্যায়ে ৪১ ক্রেডিট। এই বিভাগে একদিকে যেমন বাংলা সাহিত্যের চর্চা হচ্ছে, অন্যদিকে বাংলা ভাষা নিয়েও শিক্ষার্থীদেরকে পড়ানো হচ্ছে। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সাহিত্যের রস আস্বাদনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার বিভিন্ন কালের পরিবর্তনকেও জানার সুযোগ পাচ্ছে। বাংলা বিভাগের প্রথম একাডেমিক শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে ৫৫ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে। বাংলা বিভাগে বর্তমানে ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষকগণের মধ্যে পাঁচজন পিএইচডি ডিগ্রিধারী ও একজন এমফিল ডিগ্রিধারী আছেন। প্রত্যেক শিক্ষক উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন এবং বাংলা বিষয় সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন এবং উন্নত ধারণা রাখেন। বিভাগে তিনজন নন-একাডেমিক স্টাফ রয়েছেন; যাঁরা বিভাগের কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পূর্ণ সহায়তা প্রদান করেন।
বাংলা বিভাগের কোর্সের কন্টেন্ট এবং কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে প্রাসঙ্গিক এবং আধুনিক বিষয় দিয়ে। এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনে উন্নতির জন্য একটি সহায়ক একাডেমিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। এই শিক্ষা উন্নত চরিত্র, পেশাগত দায়িত্ববোধসম্পন্ন ও নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ নাগরিক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা কোর্স রাখা হয়েছে যাতে করে তারা দেশে এবং দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে পারে এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করতে পারে।
Vision
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের অভীষ্ট— শিক্ষার্থীদের মননশীলতা, রুচিশীলতা ও মনুষ্যত্বের উদ্বোধন ঘটানো ও তা লালন করা; যাতে তারা সুযোগ্য নাগরিক ও দেশপ্রেমিক হয়ে দেশ-জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। এভাবে বাংলা বিভাগকে মর্যাদাপূর্ণ আসনে অধিষ্ঠিত করাই এই বিভাগের পাঠক্রমের অন্যতম লক্ষ্য।
Mission
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজেকে যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে; যার মধ্যে পাণ্ডিত্য, মেধা, দেশপ্রেম, মহানুভবতা এবং সৃষ্টিশীলতার সমন্বয় সাধন হবে। এর মাধ্যমে তারা আমাদের সাহিত্য-সমাজ-সংস্কৃতি, রাষ্ট্র, রাজনীতি সর্বোপরি আমাদের মহান দেশের অগ্রগতির অংশীজন হিসেবে অগ্রগামী হবে। উদার ও সাহিত্যমনস্ক হয়ে তারা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও তাদের জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেবে। অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রথমত বাস্তব-জীবনে, দ্বিতীয়ত গবেষণাধর্মী কাজে প্রয়োগ করবে। এভাবে নান্দনিক সৃজন দিয়ে সমাজ ও দেশকে সমৃদ্ধ করবে। এ বিভাগ থেকে পাঠ সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা পেশাগত জীবনে নিজেকে দক্ষ ও যোগ্যভাবে উপস্থাপন করার সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে অধিষ্ঠিত হবে।